পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনেও প্রশ্নপত্র বিভ্রাট ঘিরে ফের বির্তকে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। দ্বিতীয়বর্ষের ঐচ্ছিক বাংলায় পঞ্চমপত্রের পর মঙ্গলবার ষষ্ঠপত্রের প্রশ্নপত্র ঘিরেও বির্তক। পুরনো সিলেবাসের পরির্বতে নতুন সিলেবাসের প্রশ্নপত্র দেওয়া বিপাকে পরীক্ষার্থীরা। ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত উপাচার্যের। উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ।
বার বার বির্তকে জর্জরিত মালদার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। একটি বির্তকের অবসান হতে না হতেই নতুন বির্তকের সুত্রপাত। কার্যত বির্তকের কেন্দ্র বিন্দুতে এই বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি প্রথমবর্ষের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বির্তকের সূচনা হয় গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেই বির্তক ধামাচাপা দিতে না দিতেই ফের নতুন বির্তক। সোমবার দ্বিতীয়র্বষের ঐচ্ছিক বাংলা বিষয়ে পঞ্চমপত্রের প্রশ্নপত্র ঘিরে জন্ম নেয় আরও এক নতুন বির্তকের। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিলো পরীক্ষার্থীদের পুরনো সিলেবাসের পরিবর্তে নতুন সিলেবাসের প্রশ্নপত্র দেওয়ার হয়। সেই বির্তকের রেশ থাকতে থাকতেই মঙ্গলবার ঐচ্ছিক বাংলার ষষ্ঠপত্রের প্রশ্নপত্র ঘিরে ফের বির্তক। একই অভিযোগ পরীক্ষার্থীদের।আজ পরিক্ষার্থীরা কলেজে বসে বিক্ষোভ দেখালেন। তাদের বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের খামখেয়ালীপনায় তাদের ভবিষ্যাত অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।এর ফলে সমস্যায় পড়েছে তারা।
বারং বার প্রশ্নপত্র নিয়ে বিভ্রাটের বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মালদা কলেজের অধ্যপকরা। মালদা কলেজের পরীক্ষা বোর্ডের মেম্বার ভবেন্দ্র নাথ অধিকারী জানান, বিশ্ববিদ্যালয় যে প্রশ্নপত্র পাঠায় সেই প্রশ্নপত্রে আমরা পরীক্ষা নিয়ে থাকি। সোমবার প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার সময় আমরা বিষয়টি বুঝতে পারেনি। এমনকি আমাদেরকে জানানো হয়নি।এরপর মালদা মহিলা কলেজে ঘটনাটি ঘটেছে সেখান থেকে বিষয়টি জানতে পারি।আজ পরীক্ষার সময় একই ঘটনা ঘটায় ঘটে এবং তা জানতে পেরে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে জানাতে।বার বার ঘটা এমন ঘটনায় বলির পাঠা হচ্ছে ছাত্র ছত্রীরা বলে তিনি।
প্রশ্নপত্র নিয়ে এই বিভ্রাটে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গোপাল চন্দ্র মিশ্র। অভিযোগ পেতেই পরীক্ষা নিয়ামক ও বাংলা প্রশ্নপত্র বিভাগের প্রধানকে নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন তিনি। ছাত্রছাত্রীদের কোন অসুবিধা হবে না এই আশার বাণী শোনানোর পাশাপাশি ঘটনায় উচ্চপর্যের তদন্ত হবে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য।